বাংলাদেশ শেয়ার বাজার আপডেট


ইউনুসুর রহমান এ বিষয়ে উদ্যোগ নেন। গত ৫ মে তার সভাপতিত্বে সরকারি মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারি মলিকানাধীন কোম্পানিগুলোর শেয়ারবাজারে ছাড়ার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাওয়া হয়। এ সময় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির বক্তব্যে নেতিবাচক উত্তর পাওয়া যায়। অর্থাৎ গত ছয় বছরেও প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের শেয়ার বাজারে ছাড়ার পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি কোম্পানিগুলো হলো- বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড (বিডি সার্ভিস), বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লি. ঢাকা: বিনিয়োগকারীদের আস্থাভাজন এবং সর্বোচ্চ মুনাফা প্রদানকারী ২০টি কোম্পানীর তালিকা প্রকাশ করেছে বিজনেস লিডার ক্লাব। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ ধরনের ২০টি কোম্পানির তালিকায় উত্পাদনমুখী বহুজাতিক কোম্পানি যেমন রয়েছে, একই সঙ্গে রয়েছে দেশীয় কোম্পানিও। খাতভিত্তিক বিবেচনায় তালিকায় সবচেয়ে বেশি রয়েছে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। শীর্ষ কোম্পানি নির্বাচনে ৫০০ কোটি টাকা বাজার মূলধন রয়েছে, এমন কোম্পানিকে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি মূলধনি মুনাফা পেয়েছে ১. বাংলাদেশ শেয়ার বাজার আপডেট Forex Currency Rate Pk 15 ফেব 2016. কি বাজারের ভারসাম্য নষ্ট করে? আপডেট, মার্চ ২১, ২০১৬. গেছে মনোপলি মানেই খারাপ বাজার। ঢাকা ওয়াসা বা বাংলাদেশ রেলওয়ে কিন্তু মনোপলি বাজারেরই উদাহরণ।. বড় বড় মার্কেট লীডারদের মার্কেট শেয়ার বাজার দখল বা হিস্যা আরো বেশি হারে বাড়ে, হারিয়ে যায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। বিজনেস এর অন্যতম দুটি অবজেকটিভ. 18 অক্টো 2016. নিউজ ক্যাটাগরী শিরোনাম, শেয়ার বাজার নিউজ আপডেট টাইম অক্টোবর, ১৮, ২০১৬, অপরাহ্ণ নিউজটি পড়া হয়েছে 98 বার. ম্যারিকো বাংলাদেশ. নিজস্ব প্রতিবেদক, সংবাদ২৪.নেট ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের এমবিএল ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা এজিএম মঙ্গলবার র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসিআই ফর্মুলেষনস: সেরা কোম্পানির তালিকায় এসিআইয়ের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসিআই ফর্মুলেশনস লিমিটেডও রয়েছে। চার বছরে এ কোম্পানির নিট মুনাফা বেড়েছে ৫২ শতাংশ। আর দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা এ সময়ে ১০৪ শতাংশ মূলধনি মুনাফা পেয়েছে। ১৩. পুঁজিবাজার ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর : চলতি সপ্তাহে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, জেমিনি সি ফুড, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স : সান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এজিএম আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম : বিডি থাইয়ের এজিএম আগামী ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। জেমিনি সি ফুড : জেমিনি সি ফুডের এজিএম আগামী ২১ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় সেলিব্রিটি কনভেনশন সেন্টার, সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডিতে অনুষ্ঠিত হবে। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি ৭০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। পিপলস লিজিং : এই কোম্পানির এজিএম আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় রাওয়া কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হবে। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। পুঁজিবাজার, ২১ জুলাই : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচ ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ (এক্সপোজার) সমন্বয়ের জন্য সাবসিডিয়ারি (সহযোগী) প্রতিষ্ঠানের মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বুধবার বিএসইসির ৫৮০তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ধারা ২৬ ক অনুসারে আগামী ২১ জুলাই, ২০১৬ তারিখে সমাপ্ত তিন বছরের সময়সীমার মধ্যে ব্যাংকের পুঁজিবাজার এক্সপোজারের আইনানুগ সীমা (ইক্যুটির ২৫ শতাংশ) এর মধ্যে আনতে এসব ব্যাংকের সাবসিডিয়ারিগুলোর বর্ধিত মূলধন উত্তোলনের (শেয়ারের জন্য আমানত অথবা ঋণকে ইক্যুইটিতে রূপান্তরের মাধ্যমে) অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি এমটিবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংকের সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এবি ব্যাংকের এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান এনবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড। প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা ফেসভ্যালুতে এক্সিস্টিং শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে ইস্যু করে পরিশোধিত মূলধন বাড়াবে সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলো। এর মধ্যে এমটিবি সিকিউরিটিজ স্টক ব্রোকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে ১২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। ফলে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা থেকে ৩২৫ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। সাউথইস্ট ব্যাংকের সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেড ৩০ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩০০ কোটি উত্তোলন করবে। ফলে, কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা থেকে ৫৫০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। শাহজালাল ব্যাংকের শাহজালাল ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড ৬ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৬০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। ফলে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ২১৪ কোটি টাকা থেকে ২৭৪ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। এবি ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৩০ কোটি ১১ লাখ ৪৩ হাজার ১৭৫ টি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন বাড়াবে ৩০১ কোটি ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭৫০ টাকা উত্তোলন করবে। ফলে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২৯৮ কোটি ৮৫ লাখ ৬৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ৬০০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের এনবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড ৩০ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। ফলে কোম্পানির মূলধন ১০০ কোটি টাকা থেকে ৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। উল্লেখ, বর্তমানে প্রতিটি ব্যাংক তার রেগুলেটরি মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারে। বিনিয়োগের পরিমাণ গণনায় ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের (ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক) মূলধনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যদিও বিদ্যমান আইন অনুসারে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এদের প্রতিটির রয়েছে আলাদা পর্ষদ। বিনিয়োগ, মুনাফা ও ঝুঁকি-সবই নিজস্ব। এদিকে, ২০১৩ সালে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের সক্ষমতা কমিয়ে আনা হয়। কিন্তু পুঁজিবাজারে চলমান মন্দা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এক্সপোজারের গণনায় সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মূলধনকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ প্রেক্ষিতে বুধবার (২০ জুলাই) ব্যাংকের সহযোগি প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পুঁজিবাজার ডেস্ক, ২০ জুন : : বিগত এপ্রিলের তুলনায় গত মে মাসে দেশের পুঁজিবাজারে সরকারি কোম্পানিগুলোর অবদান কমেছে। বাজার মন্দা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত না হওয়ায় গত মে মাসে দেশের উভয় বাজারে লেনদেন ও বাজার মূলধনে অবদান কমেছে সরকারি কোম্পানির। অপরদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ায় ওষুধ ও রসায়ন খাতে পুঁজিবাজারে বেসরকারি কোম্পানির অবদান আরো বেড়েছে। নতুন বেসরকারি কোম্পানি তালিকাভুক্তির সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে দ্রুত সরকারি কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রয়োজন বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। অথচ বাস্তব চিত্র হচ্ছে ২০১০ সালে মহাধস পরবর্তী সময়ে বহু বেসরকারি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হলেও এ সময়ে মাত্র একটি সরকারি কোম্পানি বাজারে এসেছে। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যানুযায়ী, ডিএসইতে মোট ১৯ সরকারি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। মে মাসে এই কোম্পানিগুলো থেকে ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। অথচ আগের মাস এপ্রিলে লেনদেন হয়েছিলো ডিএসই’র মোট লেনদেনের ১০ শতাংশ। যা মে মাসে কমে প্রায় অর্ধেক হয়েছে। লেনদেনের পাশাপাশি এপ্রিল মাসের তুলনায় মে মাসে ডিএসইর বাজার মূলধনের ২ শতাংশ অবদান কমেছে। গত এপ্রিল মাসে ডিএসইতে এ খাতের অবদান ছিলো ১০ শতাংশ। আর মে মাসে অবদান ছিলো ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। অথচ বাজার মূলধনের দিক থেকে বহুজাতিক কোম্পানির অবদান ২৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। যা লেনদেনের দিক থেকে ৫৫ শতাংশ। এর ফলে বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ারে দাম বাড়লে ডিএসইর চিত্র পাল্টে যায়। জানা গেছে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে তার কোনো কার্যক্রমই দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রতিনিয়তই দুর্বল ও খারাপ কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নিচ্ছে। যে কারণে প্রায়ই প্রতারিত হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তাই বাজারের স্বার্থে দ্রুত সরকারি কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনা দরকার বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারি কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনলে সরকার বিনা সুদে টাকা সংগ্রহ করতে পারবে। আর মৌলভিত্তিক কোম্পানিগুলোর কারণে বিনিয়োগকারীরাও লাভবান হবেন। পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, সরকারি কোম্পানিগুলো বাজারে আসলে কারসাজি চক্রের দাপট কমে আসবে। বিনিয়োগকারীরা লোকসান থেকে রক্ষা পাবেন। বাজারও চাঙা হবে। ডিএসইর সাবেক পরিচালক আহমেদ রশিদ লালী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পুঁজিবাজারে সরকারি প্রতিষ্ঠানের অবদান অনেক বেশি। অথচ দেশের পুঁজিবাজারে সরকারি কোম্পানির অবদান মাত্র ৬শতাংশ। দুর্ভাগ্যজনক হলো, এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। সরকারি কোম্পানি বাজারে তালিকাভুক্ত হলে বাজার স্থিতিশীলতায় বড় ধরনের অবদান রাখবে। পুঁজিবাজারের প্রতি সরকারের দায়িত্ব বাড়বে। তিনি বলেন, সরকারি কোম্পানি বাজারে আসলে জবাবদিহিতা আরো বাড়বে। লোকসানে থাকা কোম্পানি মুনাফায় ফিরবে। যার সুফল পাবেন বিনিয়োগকারীরা। জানা গেছে, পুঁজিবাজারে ২০১০ সালে ধসের পরপরই বাজারে সরকারি কোম্পানির তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় সরকার। এরপর গত ৬ বছরে মোট তিন দফা সময় বেধে দেওয়া হয়। এর মধ্যে দু’বার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও হস্তক্ষেপ করেন। এরপরও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা কোম্পানিগুলোর শেয়ার কবে নাগাদ বাজারে আসবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নতুন সচিব মো.

Uk Most Profitable Binary Option Robot Trading

নিএসআরএম: চার বছরে বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের নিট মুনাফা বেড়েছে ১০৯ শতাংশ। দেশীয় ইস্পাত শিল্পে শীর্ষ এ কোম্পানির ২০১৫ সালে নিট মুনাফা হয় ২০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা, ২০১২ সালে যার পরিমাণ ছিল ৯৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বাজার মূলধন বেড়েছে ৪২ শতাংশ। ২০১৫ সালে এ শেয়ারে বিনিয়োগের বিপরীতে প্রকৃত লভ্যাংশের হার ছিল ৩ দশমিক ২ শতাংশ। এ কোম্পানির মূল্য আয় অনুপাত ১৪ দশমিক ৪২। ৭. এসিআই লিমিটেড : নিট মুনাফায় প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে এসিআই লিমিটেড। ২০১২ সালে ১৬ কোটি টাকা লোকসান হলেও পরের বছরই তা কাটিয়ে ওঠে তারা। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির নিট মুনাফা ছিল ৭৬ কোটি টাকা। ২০১২ সাল থেকে যেসব বিনিয়োগকারী এ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ ধরে রেখেছেন, তাদের মূলধনি মুনাফা হয়েছে ৪৩২ শতাংশ। চার বছরে কোম্পানির বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। ১২. বাংলাদেশ শেয়ার বাজার আপডেট Option Trading Jobs London 9 মে 2015. শেয়ার মার্কেট হলো এমন একটি বাজার যেখানে শেয়ার ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দামের ও মানের শেয়ার ক্রয় বিক্রয় করে থাকে। শেয়ার ব্যবসায়ীরা. এক্সচেঞ্জগুলি স্ব-নিয়ন্ত্রিত এবং প্রাইভেট সেক্টর এনটিটি যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন বিএসইসি অনুমোদিত পরিচালনা নীতি দ্বারা পরিচালিত। সিকিউরিটিস এন্ড. স্কয়ার ফার্মা ওষুধের বাজারের প্রায় ১৯ শতাংশ দখলে রয়েছে ওষুধ খাতের শীর্ষ কোম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের। কোম্পানিটির বাজার মূলধন ১৬ হাজার ১৭৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা বাজার মূলধনে শীর্ষ কোম্পানি তালিকার তৃতীয়। ৩. বিএটিবিসি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি বিএটিবিসি। উচ্চ করহারের কারণে. Swap Forex Definition15 ফেব 2016. কি বাজারের ভারসাম্য নষ্ট করে? আপডেট, মার্চ ২১, ২০১৬. গেছে মনোপলি মানেই খারাপ বাজার। ঢাকা ওয়াসা বা বাংলাদেশ রেলওয়ে কিন্তু মনোপলি বাজারেরই উদাহরণ।. বড় বড় মার্কেট লীডারদের মার্কেট শেয়ার বাজার দখল বা হিস্যা আরো বেশি হারে বাড়ে, হারিয়ে যায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। বিজনেস এর অন্যতম দুটি অবজেকটিভ. আজহারুল ইসলাম সরকার, এসআই আসাদুজ্জামান আসাদ, এএসআই তোফাজ্জল হোসেন, কনস্টেবল জিল্লুর রহমান ও সাইদুর রহমান। রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মো.